মঙ্গলবার, ৩০ Jun ২০২৬, ০৯:৫১ অপরাহ্ন

শিরোনামঃ
ট্রাম্প যুদ্ধবিরতি বললেও থাইল্যান্ড কম্বোডিয়ার সংঘাত চলছেই ওমান উপসাগরে ট্যাঙ্কার জব্দ, ইরানে বাংলাদেশিসহ ১৮ ক্রুকে আটক মুক্তিযুদ্ধ ও ৭১ বাদ দিয়ে কোনো চেতনা বাংলাদেশের জন্য মঙ্গল নয়: শামীম হায়দার ষড়যন্ত্র চলছে, নির্বাচন অতো সহজ হবে না : তারেক রহমান হাদির ওপর হামলায় ব্যবহৃত মোটরসাইকেল শনাক্ত, মালিক গ্রেফতার দেশের সব নির্বাচন অফিসে নিরাপত্তা জোরদারের নির্দেশ সুদানে জাতিসংঘের ঘাঁটিতে হামলা, ৬ বাংলাদেশি শান্তিরক্ষী নিহত জাপানে জোট সরকার গড়তে রাজি এলডিপি, ইশিন হামাস যুদ্ধ বিরতির লঙ্ঘন ঘটিয়েছে অভিযোগ করে গাজায় ইসরায়েলের হামলা যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে ট্রাম্পবিরোধী বিক্ষোভে লাখো মানুষের ঢল

কুমিল্লায় বেড়েছে মাশরুমের চাহিদা

জেলায় করোনায় মাশরুমের চাহিদা বেড়েছে। তবে উৎপাদন কম হওয়ায় ভোক্তারা চাহিদা অনুযায়ী মাশরুম পাচ্ছেন না। বিশেষজ্ঞদের মতে, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে মাশরুমের অপরিসীম গুরুত্ব রয়েছে।
কৃষি সংশ্লিষ্টদের সূত্র জানায়, কয়েক বছর আগে কুমিল্লায় প্রচুর মাশরুমের উৎপাদন থাকলেও এর চাহিদা ছিলো না। প্রচারণা না থাকায় মানুষ মাশরুম খেতে চাইতো না। এখন মাশরুম খেতে চাইলেও পাওয়া যাচ্ছে না। কুমিল্লা সদর উপজেলার ছত্রখিল গ্রামের চাষি চন্দন কুমার সাহা। তিনি ১৫ বছর ধরে মাশরুম উৎপাদন করেন। তিনি বাসসকে বলেন, ৫/৬ বছর আগে কুমিল্লায় শতাধিক চাষি মাশরুম উৎপাদন করতেন। বর্তমানে তা ৫/৬ জনে নেমে এসেছে। প্রচারণা না থাকায় আগে মানুষ মাশরুম খেতো না। এখন মাশরুমের অনেক চাহিদা। গরমকালে মাশরুমের উৎপাদন কম হয়। তার খামারে দুই থেকে তিন কেজি মাশরুম পাওয়া যাচ্ছে। কিন্তু চাহিদা রয়েছে ১০০ ্রকেজিরও বেশি। কৃষি বিভাগ মাশরুম চাষে উদ্বুদ্ধ করলে তরুণদের বেকারত্ব দূরের সাথে মানুষ পুষ্টিকর মাশরুম খেতে পারবে।
কৃষিবিদ গোলাম সারোয়ার ভুইয়া বাসসকে বলেন, পুষ্টি বিশেষজ্ঞরা মাশরুমকে সুপার ফুড হিসাবে বিবেচনা করেন। নিয়মিত মাশরুম খাওয়ার অভ্যাস করলে এটি আমাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে অনেক বাড়িয়ে দেয়। এতে করোনাসহ সকল রোগের বিরুদ্ধে মাশরুম সুরক্ষা প্রদান করে থাকে। আগে কুমিল্লায় মাশরুম উন্নয়ন ও জোরদারকরণ প্রকল্প ছিলো। সেটি বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর এখানে ভাটা নেমে আসে। মাশরুম উন্নয়ন ও জোরদারকরণ প্রকল্প কুমিল্লার সাবেক কর্মকর্তা, বর্তমানে নোয়াখালী বেগমগঞ্জ কৃষি প্রশিক্ষণ ইন্সস্টিটিউটের প্রিন্সিপাল ড. মো. জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হয়ে গেলে এখানে স্থবিরতা নেমে আসে। ইচ্ছে করলে সেই উদ্যোম ধরে রাখা যেত। মানুষের প্রয়োজনে মাশরুম চাষ জনপ্রিয় করা প্রয়োজন।
হর্টিকালচার সেন্টার কুমিল্লার উপ-পরিচালক মো. আমজাদ হোসেন বলেন, মানুষের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় মাশরুম একটি পুষ্টিকর খাবার। এটি কম জায়গায় অল্প পঁজিতে চাষ করা যায়। প্রকল্প বন্ধ হয়ে যাওয়ায় উৎপাদন কমে গেছে। এ সংক্রান্ত বড় বরাদ্দ পাওয়া গেলে আরো বেশি মানুষের মাঝে মাশরুম চাষ ছড়িয়ে দেয়া যাবে।

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved © 2017 Nagarkantha.com